Palah Biswas On Unique Identity No1.mpg

Unique Identity No2

Please send the LINK to your Addresslist and send me every update, event, development,documents and FEEDBACK . just mail to palashbiswaskl@gmail.com

Website templates

Zia clarifies his timing of declaration of independence

what mujib said

Jyothi Basu Is Dead

Unflinching Left firm on nuke deal

Jyoti Basu's Address on the Lok Sabha Elections 2009

Basu expresses shock over poll debacle

Jyoti Basu: The Pragmatist

Dr.BR Ambedkar

Memories of Another day

Memories of Another day
While my Parents Pulin Babu and basanti Devi were living

"The Day India Burned"--A Documentary On Partition Part-1/9

Partition

Partition of India - refugees displaced by the partition

Saturday, June 15, 2013

Fwd: [NAMASHUDRA BROTHERHOOD] ⬇ ⬇ [?] [?] [?] [?] মতুয়া নিয়ে সময়োপযোগী ভাবনা [?] [?] [?] [?] ⬇ ⬇




⬇ ⬇ 󾮞 󾮞 󾮞 󾮞 মতুয়া নিয়ে সময়োপযোগী ভাবনা 󾮞 󾮞 󾮞 󾮞...
Koushik Roy 9:47am Jun 16
⬇ ⬇ মতুয়া নিয়ে সময়োপযোগী ভাবনা ⬇ ⬇

আমরা যারা মতুয়াদের বর্তমান অবস্থাতে সন্তুষ্ট নই তারা তাদের অসন্তুষ্ট হবার কারনটি ব্যাখ্যা করলে বিষয়টিকে অনুধাবন করা আমাদের সকলের জন্য সহজ হয় ।

নিচে পড়ুন

কেউ বলছেন আমাদের মতুয়াদের মন্দিরে যাওয়া উচিৎ নয় , মুর্তি পুজো করা উচিৎ নয় ,এই মতুয়াদের পথ আধ্যাত্মিকতা বহির্ভুত হওয়া উচিৎ ইত্যাদি আরও বহু কথা , উচিৎ-অনুচিত ব্যাপার-স্যাপার ।
কিন্তু এই কথাগুলোর আসল মানেটা বোঝা হয়ত অনেকের পক্ষেই সহজ হয়ে ওঠে না বা যারা বোঝেন তারা এগুলো এড়িয়ে যান । আবার আমরা অনেকেই এই কথাগুলোর সাথে পরিচিত নই - তাই বেশ অস্বস্তিতে ভুগি ।
বস্তুবাদীদের কথা শুনলে আমাদের ভক্ত-মতুয়াদের যে অস্বস্তি হয় তার পেছনে অনেক কারণ লুকিয়ে আছে । আসলে লুকিয়ে আছে বলছি কেন , এগুলো আমাদের সকলের সামনেই প্রকাশিত । আর এর থেকে অনেক প্রশ্ন চলে আসে । উচিৎ অনুচিত ব্যাপারটা সময়ের সাথে সাথে কতোটা পরিবর্তনশীল তাই আমরা অনেকে ঠিক করে বুঝতে পারি না ।

কিছু বাস্তব প্রশ্ন অতি কঠোরভাবে আমি উপস্থাপন করছি এখানে । এখানে ঐ অস্বস্তিকর ব্যাপারটিও আসবে ।

সময় আমাদের চালনা করে । সময় অনেক কিছু আমাদের বলে দেয় । কি করতে হবে কি এড়িয়ে যেতে হবে ।
যখন ঈশ্বর ভবনা আসে ও আমরা ঈশ্বরের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলি তখন শেষ কথায় আমাদের নাস্তিক না হয়ে উপায় থাকে না । আমরা তো অনেকেই জানি যে কেউই ঈশ্বরকে দেখাতে পারবে না । এটি একটি ভাবনা , যা মানুষকে অনেক কল্পনাপ্রবণ করে তোলে । তাই আমরা বাংলা বাউল-জারি-সারি-পল্লী অনেক সাহিত্যে ঈশ্বর ভাবনা দেখতে পাই । মতুয়া অশ্বিনী গোঁসাই যখন তার প্রাণের হরিকে নিয়ে গান করে তখন অমন মধুর সঙ্গীতের অসাধারণ ভাবগাম্ভির্য ও সাহিত্য রসকে আমরা কি করে এড়িয়ে যাবো ? নাকি এটা ও এই রকম আর যতো প্রথা ও রুচি মতুয়াদের আছে তা গলা টিপে হত্যা করতে হবে ?
মানলাম এই ঈশ্বর ভাবনার ভাইরাসটি ব্রাহ্মণদের দ্বারাই আমদানিকৃত , কিন্তু তাই বলে এই ব্যাপারটি খারাপ হয়ে গেলো ? আর খারাপ হলই বা কি করে তাও তো আমরা অনেকে ঠিক করে জানি না । তবে আমার মনে হয় এভাবে এটা খারাপঃ
ব্রাহ্মণরা ঈশ্বর ভাবনায় আমাদের উৎসাহিত করেছে ।
তাদের দেব-দেবী , মন্ত্র-তন্ত্র ও অনেক আচার-অনুষ্ঠানের স্বরচিত ও আবোল-তাবোল নিয়ম শিখিয়েছে ।
আর তারা বর্নপ্রথা বানিয়ে ধর্মিয় প্যাঁচ কষে নিজেদের উচ্চস্থানে রেখে নিম্নবর্নের সর্বস্ব ভোগের সুদূর প্রসারি বন্দোবস্ত করেছে ।

তাই যখুনি মতুয়ারা বাড়িতে বৈষ্ণব ডেকে হরি-প্রেমের বন্যা বইয়ে দেয় কিংবা যখন ঐ হরি-প্রেম ব্যাপারটি সামনে নিয়ে এসে বন্ধুদের একটু ভাব রস দিয়ে আবেগঘন করে দিতে চায় তখুনি আমরা বস্তুবাদিরা তাই নিয়ে উচিৎ-অনুচিতের প্রশ্ন তুলতে ছাড়ি না । কারণ ঐ , ঐ ব্রাহ্মন্যবাদের Practice হচ্ছে কি-না এই কথা ।
ব্যাপারটা এমন যে ,
বস্তুবাদীরা যেভাবে এটাকে ব্যাখ্যা করেন তা হল,
যখনই ঈশ্বর সম্বন্ধীয় যে কোনো সাহিত্য আমাদের মন কেড়ে আবেগকে নাড়া দেয় তখন আমরা ব্রাহ্মণদের পথ অনুসরণ করছি ধরে নিতে হবে । কারণ ঐ ঈশ্বর ব্যাপারটি এখানে উপস্থিত ।
আজ এক মতুয়া মনে করছে সে ব্রাহ্মন্যবাদ বা ব্রাহ্মণদের নিয়ম সমর্থন করে না । তাই সে মতুয়া ।
সেই মতুয়া ব্যাক্তিটিই কি মনে করেন সেটা দেখা যাক :- ব্রাহ্মণরা ঈশ্বর ভক্তিতে ও প্রাপ্তিতে তাদের অগ্রাধিকারের কথা আগে এনেছে অনেক গ্রন্থে । হরিচাঁদ এসে মনুষরূপী হরিকে সেবা করার পথ বলে দিলেন ও আমাদের শেখালেন এটাই ঈশ্বর তুষ্টের সবচাইতে সম্মানের ও সহজ পথ । তাই আমাদের নিজস্ব পথ অবলম্বন করে আমরা নিচু জাত হয়েও ঈশ্বর-সেবার অধিকার পেয়েছি । আমরা পূজা পার্বনে বামুন বা ব্রাহ্মণ ডাকবো না । নিজেরাই পূজা করবো । কারণ আমরা সে অধিকার পেয়েছি ।
--- মতুয়াদের এই ব্যাপার দেখে বস্তুবাদীরা মুচকি হেসে আপন মনে বলেন , এঁরা এখনো ব্রাহ্মণদের কৌশলের থেকে বেরুতে পারে নি । যখন পূজা-পার্বন ও হিন্দুজাতীয় নিয়মের অনুসরণ করা হয় তখন তো ব্রাহ্মণকেই সমর্থন করা হয় , নয় কি ?

ধরি , এগুলো ব্রাহ্মণদের শেখানো পথ ও আমাদের এগুলো থেকে সম্পূর্ন বেরিয়ে আসতে হবে । তাই ব্রাহ্মণদের সব কিছুই বর্জন করতে হবে ।
এই ভাবনা থেকে কি হয় দেখুনঃ

⏩ অশ্বিনী গান গাইলো হরি প্রেমের
-- আমরা বলবো এটা পারলৌকিক ভাবনা থেকে আসা গানের কথা । এই পারলৌকিক ব্যাপারটা সম্পূর্ন ব্রাহ্মণদের শেখানো পথ । আজ এই গান শুনে লোকে তা গাইতে থাকবে , আর কাল আমরা ইহলৌকিক কাজ ছেড়ে হরি-প্রেমে ভেসে কল্পনার স্বর্গে বিভোর হবো । আর তারপর এই ঈশ্বরের স্বরূপ খুঁজতে গ্রন্থের স্বাদ নিতে যাবো ব্রাহ্মণদের রচিত সাহিত্যে ও পথে । ঈশ্বরে বিশ্বাস ও তাকে পাবার ও তাকে পাবার আনন্দের তীব্র বাসনা যখন প্রখর হবে , তখন আধ্যাত্মিক জ্ঞানে যুক্তিযুক্ত ও পরম সঠিক পথে ঈশ্বরকে ভাবার ব্রাহ্মণদের পথ অনুসরণ করবো ।
কিন্তু এটা উচিৎ নয় । তাই অশ্বিনীর ঐ সাহিত্য রসের নামে ব্রাহ্মণদের ধ্বজা ওড়ানো বন্ধ করা উচিৎ । কারণ মতুয়ারা অমন নয় ।

⏩ তারপর দেখুন , পশ্চিমা দেশে সংস্কৃতি কি আছে তা আমরা অনুধাবন করতে পারি ।
এবার যখন বিয়েটা হয় মতুয়া নিয়মে ও তাতে ঈশ্বর সম্পর্কিয় কোনো শ্লোক উচ্চারিত হয় তখন তা আমাদের চিন্তাশীল ব্যাক্তিদের মনে ভাবনার উদ্রেক করে । বিশেষ করে যখন কোনো সামান্য নিয়ম বা আচার-অনুষ্ঠানের কিছুটা কোনোভাবেও যদি ব্রাহ্মণদের সাথে মেলে তাহলে তাকে ব্রাহ্মন্যবাদের প্রতিফলন বলতে আমরা বস্তুবাদীরা দ্বিধা করি না । আমরা বস্তুবাদীরা তখন বলি , আজ এই হয়েছে কাল এর কারন খুঁজতে যখন ঈশ্বরের সত্যতা ব্যাপারটি আধতাত্মিক জ্ঞানে ভাবা হবে তখন ঈশ্বরকে পাবার পুস্তকীয় যুক্তি-যুক্ত পথ আমরা ব্রাহ্মণদের বইতেই পাবো ও তা অনুসরণ করবো ।

এখন বস্তুবাদীরা এটা কি করে ব্যাখ্যা করবেন যে , যদি এই ভাবে আমরা ইশ্বর সম্বন্ধীয় ব্যাপারগুলোকে বাদ দেই তাহলে আমাদের নিজেদের রীতিনীতি , আচার , অনুষ্ঠান , সংস্কৃতি বলে কি রইলো ?

তারা কি বুঝাতে চাইছেন যে , পশ্চিমা দেশের সংস্কৃতিকে আমাদের মানা উচিৎ ?

উত্তরে হয়তো পাবো , ধান কাটার উৎসব ধর্মিয় নয় । এটা প্রাপ্তির আনন্দের এক প্রতিফলন । এমন করেই আমরা আমাদের সংস্কৃতিকে পেতে পারি ।

এবার তবে মূল প্রশ্নের অবতারণা করতে হয় ,
আমরা এই ভারতবর্ষের সকল জনগন যদি এক সাথে ঈশ্বর ব্যাপারটি থেকে মুক্ত হয়ে যাই তাহলেও কি আমরা আমাদের সংস্কৃতিকে ফিরে পাবো ঠিক তখুনি ? ঠিক সাথে সাথে ?

এর কি উত্তর আশা করা যায় ? এটা অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন । কারণ সংস্কৃতি ও আচার , সামাজিক রীতিনীতি আমাদের সঠিক পথে চালনা করে ।

আর , এই রীতিনীতি-আচার-অনুষ্ঠান-সামাজিক নিয়ম ব্যাপারগুলো ১ দিনে গড়ে ওঠা সম্ভব নয় ।
মনুষ তার নিজের সুখ-দুঃখের অনুভূতি দিয়ে এইগুলো যাচাই করে তবে একে গ্রহণ করে থাকে । নকশী কাঁথায় পল্লীবঁধু তার সুখদুঃখের সুতোর বুনন বোনে ।
হরিচাঁদ আমাদের সুখ-দুঃখের সাথে মিশে আছেন । আর তাকে আমরা মিশিয়েছি হরি নাম দিয়ে ।
এটা বাস্তব ও অস্বস্তিকর হলেও সত্যি যে , আমরা ব্রাহ্মণদের ঈশ্বরীয় পথেই হরিকে ভাবছি ।

দূরের পথে যাত্রাকালে ছেলে যখন ঘর থেকে বের হয় তখন মা তার ছেলের কপালে চুমু খেয়ে বলে , বাবা ভগবান তোমায় দেখে রাখুক । এই চেতনা কিসের চেতনা ? ব্রাহ্মণদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এই চেতনা কি কোনো অপরাধ করেছে ? হয়তো করেছে ।

আমার মনে হয়, আমরা সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হই নি । বিশেষ করে এই আমাদের , পিছিয়ে পরা জনগণের , সংস্কৃতিতে ব্রাহ্মন্যবাদের একটা স্রোত যোগ হয়েছে মাত্র । এর থেকে মুক্ত হবার একটি যুক্তিযুক্ত ও সময়োপযোগী ভাবনার দরকার আছে । আমি এমন একটি ভাবনার কথা বলছি যার সাথে সকলে একমত হবেন । সেটা এমনই এক ভাবনা যা যেমন করে আমাদের মতুয়া ভক্তদের আবেগকে ও সাহিত্যরসকে লালন করবে , ঠিক সেই সাথে আমাদেরকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে । এটাই সবচাইতে আকাঙ্ক্ষিত ।

কেননা , ভেবে দেখুন , কোনটা আগে জরুরী ❓ ❓ ❓ ❓ ❓ ❓ ❓ ❓ ❓ ❓ ❓
১. ব্রাহ্মণদের কুসংস্কার থেকে নিজেদের সম্পূর্ণ মুক্ত করার কথা আগে ভেবে আমাদের সঠিক জ্ঞান লাভ করা ও ব্রাহ্মণদের প্রাধান্য বিষয় থেকে বের হয়ে সার্বজনীন সমতার কথা ভাবা ?
২. নাকি , অর্থনৈতিক স্বাবলম্বী ও নিজেদের সংস্কৃতির উন্নতির কথা আগে ভেবে ও তারপর ব্রাহ্মণদের প্রাধান্য বিষয় থেকে বের হয়ে সার্বজনীন সমতার কথা ভাবা ?

বলতে পারেন যে , ঐ অর্থনৈতিক স্বাবলম্বী ও নিজেদের সংস্কৃতির উন্নতির কথা আগে ভাবতে গেলেও ব্রাহ্মণদের কথা না ভেবে তো উপায়ই নেই ।
এখানে আমি আপনাকে জানিয়ে রাখি , আমাদের গ্রাম-বাংলার মতুয়ারা তাদের আচার অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণদের যে পথ অনুসরন করে তাতে ব্রাহ্মণদের পুঁজিবাদী হবার কোনো ব্যাপার একদম থাকে না বললেই চলে । তাই আমাদের খেয়াল রাখতে হবে -- যেন কোনো ব্রাহ্মণ কোনো ভাবেই আমাদের উপার্জিত অর্থের ভোগ না করতে পারে । কোনো পুস্তকীয় যুক্তি-তক্কের ছল-চাতুরি এখানে গ্রহণযোগ্য নয় ।

আপনি যদি আমার কথা ভেবে শঙ্কিত থাকেন তবে আবারো বলি , আগে আপনি কিসের কথা ভাবছেন ? ব্রাহ্মণদের সংস্কৃতি থেকে মতুয়াদের মুক্ত হবার কথা ? নাকি, মতুয়াদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির কথা ? কোনটা ? --- এই পূর্বের প্রশ্নটাই আবার করলাম ।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

এবার আমার নিজের মতামত বলিঃ

আসলে আমাদের ধীরে ধীরে এগুতে হবে । এমন ভাবে এগুতে হবে যেন সব ছিন্ন-ভিন্ন না হয়ে যায় । আমরা বাংলার মাটির দরদিয়া আবেগের পল্লিসাহিত্যকে লালন করবো । লোকে যেন আমাদের সাথেই থাকে । আবার পরম মুক্তির পথে তাদের নিয়ে চলবো যেন তারা অর্থনৈতিক ভাবে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে । স্থান-কাল-পাত্র আমাদের বলে দেবে কি করতে হবে , কিভাবে এগুতে হবে । কাকে কখন কোন জায়গায় আঘাত করতে কিংবা দরদ দিতে হবে তা বুঝতে হবে ।

তবে তার আগে আমরা যারা বস্তুবাদী কিংবা সত্যানুসারী তাদের কিছু ব্যাপার ঠিক করে নিতে হবে । আমাদের একটা Standard ধরে নিয়ে কথা বলা উচিৎ । সেটা মতুয়াদের সামাজিকতা নিয়ে Standard . যা তাদের করা উচিৎ ।

আমাদের জীবনের সার্থকতা কোথায় ও আমাদের জীবনের উদ্দেশ্যই বা কি -- এই নিয়ে মতুয়া ভক্ত ও হরিভক্তদের আঘাত দিয়ে কি কোনো কার্য সিদ্ধি হবে ?
তাই এই সকল পরম প্রশ্নের উত্তর ও সামাজিক আচার-রীতিনীতি ঠিক করে আমাদের কথা বলা উচিৎ ।

⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆ ⬆

View Post on Facebook · Edit Email Settings · Reply to this email to add a comment.

No comments:

Post a Comment