Palah Biswas On Unique Identity No1.mpg

Unique Identity No2

Please send the LINK to your Addresslist and send me every update, event, development,documents and FEEDBACK . just mail to palashbiswaskl@gmail.com

Website templates

Zia clarifies his timing of declaration of independence

what mujib said

Jyothi Basu Is Dead

Unflinching Left firm on nuke deal

Jyoti Basu's Address on the Lok Sabha Elections 2009

Basu expresses shock over poll debacle

Jyoti Basu: The Pragmatist

Dr.BR Ambedkar

Memories of Another day

Memories of Another day
While my Parents Pulin Babu and basanti Devi were living

"The Day India Burned"--A Documentary On Partition Part-1/9

Partition

Partition of India - refugees displaced by the partition

Saturday, June 15, 2013

মমতা-ফ্রন্ট আটকাতে মরিয়া শঙ্কিত বামেরা

মমতা-ফ্রন্ট আটকাতে মরিয়া শঙ্কিত বামেরা

মমতা-ফ্রন্ট আটকাতে মরিয়া শঙ্কিত বামেরা
এই সময়, নয়াদিল্লি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবিত ফেডারেল ফ্রন্ট বানচাল করতে মাঠে নেমে পড়ল বামেরা৷ ফেডারেল ফ্রন্টের পাল্টা হিসাবে তাঁরা আবার তৃতীয় ফ্রন্ট গঠনে উদ্যোগী হয়েছে৷ ফেডারেল ফ্রন্টের দুই সম্ভাব্য শরিক বিজু জনতা দল ও সংযুক্ত জনতা দলকে ভাঙিয়ে নিজেদের তৃতীয় ফ্রন্টে নিয়ে আসতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে সিপিএম ও সিপিআই৷ তারা কথা শুরু করেছে নবীন পট্টনায়ক, শরদ যাদব ও সমাজবাদী পার্টির নেতা মুলায়ম সিং যাদবের সঙ্গে৷ দিনের শেষে বামেদের দাবি, তাদের উদ্যোগ অনেকটাই সফল এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফেডারেল ফ্রন্টের ভবিষ্যত্‍ আদৌ আশাপ্রদ নয়৷ 

সিপিএম নেতা সীতারাম ইয়েচুরি ও সিপিআইয়ের প্রবীণ নেতা এবি বর্ধন শুক্রবার দীর্ঘ ক্ষণ সংযুক্ত জনতা দল নেতা শরদ যাদবের সঙ্গে বৈঠক করেন৷ ওডিশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়কের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন বর্ধন৷ এমনিতে ওডিশায় বামেরা বিজু জনতা দলের শরিক৷ গত বিধানসভা নির্বাচনে তাদের আসন সমঝোতা হয়েছিল৷ সেই বোঝাপড়া থেকে নবীন সরে আসবেন না বলে বাম নেতারা জানিয়েছেন৷ বর্ধন দাবি করেছেন, দু-তরফ থেকেই ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গিয়েছে৷ বিকেলের দিকে বর্ধন আলোচনায় বসেন মুলায়ম সিং যাদবের সঙ্গে৷ 

কয়েক দিন আগেও তৃতীয় ফ্রন্ট নিয়ে বামেরা মোটেই আশাবাদী ছিল না৷ সীতারাম, প্রকাশ কারাটরা তৃতীয় বিকল্পের সম্ভাবনা নিয়েই সংশয় প্রকাশ করছিলেন৷ তা হলে মত বদলে তাঁরা একদা জোট শরিকদের কাছে টানতে উদ্যোগী হল কেন? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ফেডারেল ফ্রন্ট গড়ে মমতা সফল হলে পশ্চিমবঙ্গ, কেরল ও ত্রিপুরায় বামেরা বাড়তি চাপে পড়বে৷ ফেডারেল ফ্রন্ট দিনের আলো দেখলে লোকসভা ভোটে তৃণমূল মমতার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা তুলে ধরে বাঙালি ভাবাবেগকে উস্কে দিতে পারে, যেমনটা হয়েছিল ১৯৯৬-এর লোকসভা ভোটের আগে-পরে জ্যোতি বসুকে নিয়ে৷ রাজনৈতিক মহলের একাংশ আবার বামেদের তত্‍পরতার পিছনে কংগ্রেসের হাত দেখতে পাচ্ছে৷ মমতার ফেডারেল ফ্রন্ট সফল হলে সবচেয়ে চাপে পড়বে কংগ্রেস৷ রাজনৈতিক মতপার্থক্য সত্ত্বেও কংগ্রেস ও বামেরা পরস্পরকে স্বাভাবিক মিত্র মনে করে৷ বিশেষ করে বামেদের কাছে মমতা কংগ্রেসের থেকে বড় বিপদ৷ তাই মমতাকে ঠেকানো তাদের আশু কর্তব্য৷ তাই অভিন্ন স্বার্থের কথা মাথায় রেখেই বামেদের এই তত্‍পরতা৷ 

বামেরা তাই চাইছে মমতার কাছ থেকে নবীন ও নীতীশকে সরিয়ে আনা ও ভবিষ্যতে জাতীয় স্তরে কোনও ফ্রন্ট হলে তাতে তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা৷ কংগ্রেস নিশ্চিত, ভোটের পর সরকার গড়তে সমর্থন দেওয়ার প্রশ্নে বামেদের উদ্যোগে গঠিত জোটকে তারা পাশে পাবে৷ 

সীতারাম ইয়েচুরির দাবি, 'বামেদের ছাড়া তৃতীয় বা চতুর্থ কোনও ফ্রন্টই হবে না৷' আগামী ১ জুলাই দিল্লির মভলঙ্কার হলে চার বাম দলের বৈঠক হবে৷ সেখানে একটি ঘোষণাপত্র জারি করা হবে৷ তাতে আর্থিক, সামাজিক, রাজনৈতিক বিষয়ে বামেদের মত ও কর্মসূচির কথা থাকবে৷ সেই ঘোষণাপত্রের ভিত্তিতে সব ধর্মনিরপেক্ষ দলকে একজোট হওয়ার আবেদন জানানো হবে৷ সীতারাম বলেছেন, 'মানুষ ব্যক্তি নয়, নীতি চায়৷ আমরা বাম দলের বৈঠকে সেই নীতি ঠিক করব৷ তার পর সব ধর্মনিরপেক্ষ দলকে একজোট হতে বলব৷' যদিও সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট মনে করছেন, ভোটের পরেই ফ্রন্ট গঠনের সম্ভাবনা বেশি৷ কারণ, সব দলই আগে ভোটে লড়ে নিজেদের শক্তিটা বাড়িয়ে নিতে চায়৷ 

কিন্তু তার পরেও বামেরা যে তত্‍পর হয়ে উঠেছেন, তার মূল কারণ হল, মমতার ফেডারেল ফ্রন্ট৷ বাম নেতাদের দাবি, নবীন ও শরদ দুজনেই নাকি তাঁদের বলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর পুরোপুরি ভরসা রাখা নিয়ে তাঁদের মনে প্রশ্ন রয়েছে৷ তবে সংযুক্ত জনতা দলে শরদ নয়, নীতীশ কুমারের কথাই শেষ কথা৷ সেক্ষেত্রে নীতীশকে বাদ দিয়ে শরদ যাদবের সঙ্গে কেন আলোচনা করা হল? বাম সূত্রের বক্তব্য, শরদের সঙ্গে কথা বলে ফেডারেল ফ্রন্ট সম্পর্কে তাঁদের মনোভাবটা জানার চেষ্টা করা হয়েছে৷ সেই সঙ্গে ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির একজোট হওয়ার কথাও বলা হয়েছে৷ নীতীশের সঙ্গে পরে কথা বলা হবে৷ মোট কথা কেন্দ্রীয় স্তরে কংগ্রেস ও বিজেপি বিরোধী কোনও জোট হলে তাতে যেন বামেরাও থাকে সেটাই নিশ্চিত করতে চেয়েছেন বর্ধন-সীতারামেরা৷ 

এমনিতে মুলায়ম সিং যাদব সম্পর্কে প্রচুর অভিযোগ আছে বামেদের৷ সবথেকে বড় অভিযোগ হল, মুলায়ম কখন কী করবেন, কার সঙ্গে যাবেন, তার ঠিক নেই৷ কিন্ত্ত সে সব ভুলে এখন সেই মুলায়মকে পাশে পেতেও ঝাঁপিয়েছেন বামেরা৷ আগামিকাল চিন সফরে যাচ্ছেন প্রকাশ কারাট৷ তাই অন্য দলের সঙ্গে যোগাযোগের দায়িত্বটা রয়েছে বর্ধন ও সীতারামের উপরে৷ 

আর বামেদের দুই ছোট শরিক ফরওয়ার্ড ব্লক ও আরএসপি তাকিয়ে আছে ১ তারিখের বৈঠকের দিকে৷ ফরওয়ার্ড ব্লকের দেবব্রত বিশ্বাস বলেছেন, '১ তারিখ আমরা আলোচনা করে আগে ঘোষণাপত্র চূড়ান্ত করি৷ তার পর অন্য কথা৷' একটু ভিন্ন সুর শোনা গিয়েছে আরএসপি-র অবনী রায়ের বক্তব্যে৷ তিনি বলেন, 'তৃতীয় ফ্রন্ট যদি হয়ও তারা কি নিজেদের শক্তিতে সরকার গড়তে পারবে? তাদের তো হয় কংগ্রেস অথবা বিজেপি-র সমর্থনের উপরে নির্ভর করতে হবে৷ তা হলে পরিস্থিতিটা আলাদা হচ্ছে কী করে?' 

No comments:

Post a Comment