Palah Biswas On Unique Identity No1.mpg

Unique Identity No2

Please send the LINK to your Addresslist and send me every update, event, development,documents and FEEDBACK . just mail to palashbiswaskl@gmail.com

Website templates

Zia clarifies his timing of declaration of independence

what mujib said

Jyothi Basu Is Dead

Unflinching Left firm on nuke deal

Jyoti Basu's Address on the Lok Sabha Elections 2009

Basu expresses shock over poll debacle

Jyoti Basu: The Pragmatist

Dr.BR Ambedkar

Memories of Another day

Memories of Another day
While my Parents Pulin Babu and basanti Devi were living

"The Day India Burned"--A Documentary On Partition Part-1/9

Partition

Partition of India - refugees displaced by the partition

Wednesday, August 14, 2013

পেঁয়াজ, জামাই এবং অন্যান্য ক্ষুদ্র সংঘাতসমূহ

পেঁয়াজ, জামাই এবং অন্যান্য ক্ষুদ্র সংঘাতসমূহ

  Tuesday August 13, 2013, 08:38 PM

অনেক আগে, ১৯৯৮ সালে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি-র চোখে জল এনেছিল, হয়েছিল পতনের কারণ৷ এবার দেশ আর একটা লোকসভা নির্বাচনের প্রস্ত্ততি নিচ্ছে৷ অনুপান হিসেবে দিল্লি-সহ কয়েকটি রাজ্যের বিধানসভা ভোটও রয়েছে৷ আর আবারও পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী, প্রায় রকেট গতিতেই৷ মনে রাখা ভালো, উত্তর ভারতীদের প্রধান সবজিই হল পেঁয়াজ৷ আপনাদের, অর্থাত্‍ বাঙালিদের রান্নাতেও পেঁয়াজের বিবিধ ব্যবহারের কথা কারও অজানা নয়৷ 'বহুস্তরীয় বাল্ব' দিয়ে আপনারা যে সব সুস্বাদু পদ তৈরি করেন, তা উপভোগ করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে৷ কিন্ত্ত কত দিন পারবেন, তা হলফ করে বলতে পারি না৷ কেননা, প্রায় প্রতিটি নির্বাচনের আগেই পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়াটা একটা অভ্যাসে দাঁড়িয়েছে৷ প্রাকৃতিক বা অর্থনৈতিক কারণ যাঁরা দর্শাচ্ছেন, তাঁদের বলি, আপনারা কিন্ত্ত একটা বড় বিষয় এড়িয়ে যাচ্ছেন!

 

বিজেপি কিন্ত্ত এবার খুশি৷ অন্তত তেমনটাই হওয়া উচিত৷ পেঁয়াজের ঝাঁঝ যে কী ভাবে চোখে জল আনতে পারে, তার হাতেগরম প্রমাণ তো তারা পেয়েইছে৷ এবার তাদের জায়গায় কংগ্রেস৷ ঠিক ১৯৯৮ সালে তারা যেমন ছিল, হুবহু সেই জায়গায় সনিয়া গান্ধীর দল৷ কিন্ত্ত গত কয়েক বছরে যা ঘটেছে, তাতে ১৯৯৮-এর কংগ্রেসের তুলনায় বিজেপি-র অনেক মজবুত জায়গায় থাকা উচিত ছিল৷ প্রতিদিন একটি করে কেলেঙ্কারি৷ অবস্থা এমন যে আম-আদমি এখন 'কেলেঙ্কারি-ক্লান্ত'৷ এর সঙ্গে যোগ করুন রবার্ট ভদরার জমি কেলেঙ্কারি৷ ইউপিএ চেয়ারপার্সন সনিয়া গান্ধীর জামাই তিনি! ওই, সত্যজিত্‍বাবু বলে গিয়েছিলেন না, '…রাজার জামাই', কতকটা তেমনই আর কী৷

 

জামাই বাবাজীবনের জন্য সমস্যাটা জটিলতর হয়েছে গুরগাঁওয়ের সাংসদ রাও ইন্দ্রজিত্‍ সিংয়ের দাবিতে৷ গুরগাঁওয়ের জমি ঘিরেই প্রশ্নের মুখে ভদরা৷ এবার রাও ইন্দরজিত্‍ সিং বলেছেন, আইএএস অফিসার খেমকার তোলা অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত৷ ভূপিন্দর সিং হুডার সরকার কী ঝামেলাতেই না ফেলল ভদরাকে৷

onion.jpg

প্রত্যাশিত ভাবেই এটা আদতে হরিয়ানায় দুই নেতার কর্তৃত্বের লড়াই৷ ব্যাপারটা এত বড় হয়েছে কারণ এখানে রবার্ট ভদরার মতো নাম জড়িয়েছে৷ দলের শাসক পরিবারের দিকে আঙুল? ছোট-বড়-মাঝারি সব নেতা-ই এবার মুখপাত্র হয়ে সংবাদমাধ্যমে সাফাই গাইছেন দিবারাত্র৷ দুষ্টু রাজনীতিককে উচিত শিক্ষা দিতেই হবে৷ নিজের রাজ্যে জমি দখলের লড়াই করছিলে, করো৷ কোন সাহসে কোনও দিন অন্যায় করতে পারে না, এমন একটা পরিবারকে নিয়ে টানাটানি! ঘটনা হল, অন্যান্য কেলেঙ্কারির মতো এটিও এমন একটা জায়গায় পৌঁছেছে যে, এবার ক্লান্তি আসছে৷

 

এমন সুযোগও নিতে না-পারাটা নিঃসন্দেহে বিজেপি-র ব্যর্থতা৷ একটা সময় ছিল, দেশের প্রতি প্রান্তেই বিজেপি নেতারা সমস্বরে কথা বলতেন৷ আজ আর সে দিন নেই৷ প্রত্যেকে আলাদা আলাদা করে নিজের হিসেব কষে কথা বলেন৷ একে অপরের সঙ্গে টেক্কা দেওয়ার খেলায় এমনই মাতোয়ারা নেতারা যে কংগ্রেস তার বিরোধীদের এই অবস্থায় হাসছে৷ কেলেঙ্কারির সুবাদে আজ ইউপিএ-কে বলা হয় 'ইউনাইটেড প্লান্ডার অ্যালায়েন্স'৷ বিজেপি নেতারাই হয়তো এমন কটাক্ষ হাওয়ায় ভাসিয়েছেন৷ তাঁরা নিজেরা জানেন কি, তাঁদের ডাকা হয় 'ভারতীয় ঝগড়া পার্টি' নামে? এ জন্য অন্য কাউকে দোষ দিয়ে লাভ নেই৷ নিজেদের ইগো-সর্বস্বতায় তাঁরা ভুলে যান, একদিন প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, দলের আগে দেশ, ব্যক্তির আগে দেশবাসী৷

 

দুই দাদার যখন এই অবস্থা, ভাইরা চুপচাপ বসে, এমন ভাবার কারণ নেই৷ দিল্লির দখলদারিতে নিজেদের ভূমিকা দেখতে পেয়ে যারপরনাই আনন্দিত ছোট দলগুলি নিজেদের রাজ্যে যে যার মতো করে লড়াই করছে৷ দুর্গাশক্তি মামলায় বাপ-বেটায় এমন কীর্তি করল যে, অনেক দিন পর সংবাদপত্রগুলিও দেখলাম মায়াবতীকে নিয়ে গাদা গাদা নিউজপ্রিন্ট খরচা করছে৷ নরেন্দ্র মোদীর সব উদ্যোগে জল ঢেলে মহারাষ্ট্রে রাজ আর উদ্ধব একে অপরকে খুঁচিয়ে চলেছে৷ এতে যে এনসিপি আর কংগ্রেসেরই ফায়দা, সেটা ভালো ভাবে বোঝা সত্ত্বেও৷ বিহারে নীতীশও বেকায়দায়৷ বিজেপি-র সঙ্গে গাঁটছড়া ছিন্ন করার পর এখন নিজের দলের মন্ত্রীদেরই সামাল দিতে নাভিশ্বাস উঠছে তাঁর৷ অনেকেই বলছেন, 'কাজটা ভালো হল না মুখ্যমন্ত্রীজি৷'

 

এমন একটা নির্বাচনের সামনে আমরা দাঁড়িয়ে, যেটি একাধিক কারণে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন হয়ে উঠতে পারে৷ স্বাভাবিক ভাবেই প্রচুর যুদ্ধ এবং ছায়াযুদ্ধ হবে৷ অনেক কেঁচোর মেরুদণ্ড গজাবে৷ কখনও সেটা হবে যর্থার্থ কারণে৷ অন্যায়ের প্রতিবাদে উঠে আসবে অনেক মুখ৷ আবার অনেকে হাওয়ার দিকেই নিজেদের ভাসিয়ে দেবে৷ একটা কঞ্চির গা বেয়ে টিকে থাকবে৷ দূর থেকে দেখলে ভ্রম হবে, কেঁচোর বুঝি শিরদাঁড়া হল!

 

আমরা যাঁরা এই তামাশার দর্শক, আসুন, সকলে একটু জমিয়ে বসি৷ ভুয়োদের বাদ দিয়ে সাচ্চা লোককে বেছে নিতে হবে৷ এমন একজনকে বাছা প্রয়োজন যিনি এই ক্রমপতন রোধ করবেন৷ উদাসীন হওয়ার সুযোগ নেই৷ আর যাঁরা ধাপ্পাবাজ, তাঁদের বুঝিয়ে দিতে হবে, পেঁয়াজের আসল ঝাঁঝ কাকে বলে!

রাজেশ কালরা টুইটারে ফলো করুন।

ব্লগের কোনও লেখার দায় এই সময়-এর নয়। প্রতিটি ব্লগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব।

http://author.blogs.eisamay.indiatimes.com/rajeshkalra/entry/onion_prices_hit_record_high

No comments:

Post a Comment