Palah Biswas On Unique Identity No1.mpg

Unique Identity No2

Please send the LINK to your Addresslist and send me every update, event, development,documents and FEEDBACK . just mail to palashbiswaskl@gmail.com

Website templates

Zia clarifies his timing of declaration of independence

what mujib said

Jyothi Basu Is Dead

Unflinching Left firm on nuke deal

Jyoti Basu's Address on the Lok Sabha Elections 2009

Basu expresses shock over poll debacle

Jyoti Basu: The Pragmatist

Dr.BR Ambedkar

Memories of Another day

Memories of Another day
While my Parents Pulin Babu and basanti Devi were living

"The Day India Burned"--A Documentary On Partition Part-1/9

Partition

Partition of India - refugees displaced by the partition

Saturday, April 13, 2013

সুব্রত রায়ের সম্পত্তি মাত্র পাঁচ কোটি টাকা

সুব্রত রায়ের সম্পত্তি মাত্র পাঁচ কোটি টাকা

সুব্রত রায়ের সম্পত্তি মাত্র পাঁচ কোটি টাকা
ছবি--এএফপি
বিশ্বাস করুন বা না করুন, সাহারা গোষ্ঠীর কর্ণধার সুব্রত রায়ের মোট সম্পত্তির পরিমাণ মাত্র পাঁচ কোটি টাকা৷ কোনও স্থাবর সম্পত্তিও নেই তাঁর৷ বুধবার সেবিকে এ কথাই জানিয়েছেন সুব্রত রায়৷ সমন পেয়ে দেখা করতে সেবি দপ্তরে দেখা করতে এসে সুব্রত রায় অভিযোগ করেন, 'সাহারা ইন্ডিয়া রিয়েল এস্টেট কর্পোরেশন ও সাহারা হাউজিং কর্পোরেশনের ঋণপত্রে বিনিয়োগকারী প্রায় তিন কোটি বিনিয়োগকারীর টাকা ফিরিয়ে দিতে শেয়ার বাজার সংস্থা সেবিই দেরি করছে৷' সেবির সদর দপ্তরে এক ঘণ্টা ধরে নিজেদের ব্যক্তিগত সম্পত্তির হিসাব নিয়ে জবাবদিহি করেন সুব্রত রায় ও ওই দুই সংস্থার অন্য তিন ডিরেক্টর, অশোক চৌধুরী, রবিশঙ্কর দুবে এবং বন্দনা ভার্গব৷ ২৬ মার্চ সুব্রত রায় ও অন্য তিন ডিরেক্টরকে সমন পাঠায় সেবি৷ ওই সমনে বলা হয়, ১০ এপ্রিল তাঁরা যেন সেবির দপ্তরে হাজির হয়ে নিজেদের এবং দুই সংস্থার সমস্ত বিষয় সম্পত্তির হিসাব ও দলিল দস্তাবেজ দাখিল করেন যাতে সাহারার সম্পত্তি বিক্রি করে বিনিয়োগকারীদের পাওনা টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে পারে সেবি৷ যদি সুব্রত রায় সহ সাহারার ওই চার আধিকারিক ওই দিন (১০ এপ্রিল) সেবির দপ্তরে উপস্থিত না হন তা হলে তাঁদের মতামত না নিয়েই সেবি সম্পত্তি বিক্রি করা শুরু করবে৷ 

সেই মত বুধবার দুপুরে সেবির দপ্তরে হাজির হন সুব্রত রায় এবং তাঁর তিন সঙ্গী৷ সাংবাদিকদের সুব্রত রায় বলেন, 'সেবির আধিকারিকেরা কেবল আমাদের ব্যক্তিগত বিষয় সম্পত্তি নিয়েই জিজ্ঞাসাবাদ করে, বিনিয়োগকারীদের টাকা ফেরত দেওয়া নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি৷ আমার ব্যক্তিগত কত সম্পত্তি আছে সেটাই যেন সেবির কাছে সবচেয়ে বড় সমস্যার৷ ওরা আমার ব্যক্তিগত সম্পত্তি কত আছে জানতে চেয়ে আমায় ডেকে পাঠিয়েছিল এবং এটা জেনে ওরা হতভম্ব হয়ে গেছে যে আমার সোনা ও মূল্যবান পাথর আছে তিন কোটি টাকার, ব্যাঙ্কে নগদ আছে ৩৪ লক্ষ টাকা এবং ফিক্সড ডিপোজিট আছে ১.৫৯ কোটি টাকা৷ আমার কোনও স্থাবর সম্পত্তিও নেই৷ বাদাউলিতে একটা চিনি কল তৈরি করার জন্য ব্যাঙ্ক থেকে ১১ কোটি টাকা ধার নিয়েছিলাম, সেটা আছে৷' সাহারা গোষ্ঠীর আগের দাবির পুনরাবৃত্তি করেই সুব্রত রায় বলেন, 'বিনিয়োগকারীদের পাওনা টাকার ২০,০০০ কোটি টাকা আমরা মিটিয়ে দিয়েছি৷ বকেয়া ৫ ,১২০ কোটি টাকা সেবির কাছে জমা আছে৷ আমরা চাই বিনিয়োগকারীদের টাকা যত তাড়িতাড়ি সম্ভব ফিরিয়ে দিতে৷ সেবিই ওই টাকা ফিরিয়ে দিচ্ছে না, অহেতুক দেরি করছে৷' 

গত ৩১ অগস্ট সুপ্রিম কোর্ট সাহারা গোষ্ঠীকে নির্দেশ দেয় সাহারার দুই সংস্থার প্রায় তিন কোটি বিনিয়োগকারীর পাওনা ২৪,০০০ কোটি টাকা তিন মাসের মধ্যে ফিরিয়ে দিতে৷ টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়টা তদারকি করার জন্য সেবিকে দায়িত্ব দেয় সর্বোচ্চ আদালত এবং আদালতের প্রাক্তন বিচারপতি বি এন আগরওয়ালকে নিয়োগ করা হয় পুরো কাজটার দেখভাল করার জন্য৷ এর পর আরও সময় চেয়ে আবেদন করলে ৫ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি আলতামস কবীর সাহারাকে বিনিয়োগকারীদের পুরো পাওনা মিটিয়ে দিতে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহ অবধি সময় দেন৷ এই শুনানি চলাকালীন সাহারা সেবিকে ৫,১২০ কোটি টাকার একটি ব্যাঙ্ক ড্রাফট দেয়৷ পরে সাহারা দাবি করে তারা বিনিয়োগকারীদের ২০,০০০ কোটি টাকা মিটিয়ে দিয়েছে এবং ওই টাকার ৯০ শতাংশই দেওয়া হয়েছে নগদে৷ বিনিয়োগকারীদের এর পর যতটুকু পাওনা হয় তার চেয়ে বেশি টাকা (৫ ,১২০ কোটি টাকা) সাহারা দিয়ে রেখেছে সেবিকে৷ ফলে, সাহারার দুই সংস্থার কাছে বিনিয়োগকারীদের আর কোনও পাওনা নেই৷ এ দিকে বিনিয়োগকারীদের পাওনা না মেটানোয় ১৩ ফেব্রুয়ারি সাহারার দুই সংস্থা এবং সুব্রত রায় সহ বাকি ডিরেক্টরদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ জারি করে সেবি৷ ওই সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত নোটিশের প্রেক্ষিতেই ২৬ মার্চ সুব্রত রায় ও বাকি তিন ডিরেক্টরকে ১০ এপ্রিল সরেজমিনে হাজির হয়ে তাঁদের ব্যক্তিগত বিষয় সম্পত্তির হিসাব ও দলিল দস্তাবেজ দাখিল করার সমন পাঠানো হয়৷ 

'আমাকে সেবি জিজ্ঞাসা করে তাদের জানানোর মতো অন্য কোনও সম্পত্তি আমার আছে কিনা৷ আমি বলেছি আমার যা আছে তা সবই জানিয়েছি, এর বাইরে আমার আর কোনও সম্পত্তি নেই,' সুব্রত রায় এ দিন বলেন৷ সেবি-সাহারা বিবাদের কেন্দ্রবিন্দু হল তিন কোটি বিনিয়োগকারীর সঠিক পরিচয়৷ সাহারা সেবিকে বিনিয়োগকারীদের তথ্য ৩১ হাজার কার্টন ভর্তি ১২৮টি ট্রাকে করে পাঠায়৷ সেই তথ্য অনুযায়ী, ২০,০০০ বিনিয়োগকারীকে তাদের টাকা ফেরত নেওয়ার জন্য সেবি চিঠি পাঠায়৷ কিন্তু, মাত্র ৬৮ জন সেবির চিঠির জবাব পাঠায়! সেবিকে দেওয়া সাহারার তথ্য অনুযায়ী বেশ কয়েকজন বিনিয়োগকারীর তল্লাস করে এনডিটিভি৷ নিউজ চ্যানেলটি জানিয়েছে তারা ওই নামের কোনও বিনিয়োগকারী বা নথিতে উল্লিখিত ঠিকানা খুঁজে পায়নি৷ এ দিন সুব্রত রায় বলেন, 'সেবি বলে আসছে বিনিয়োগকারীদের অ্যাকাউন্টগুলো ভুয়ো৷ তথ্য অনুসন্ধান করে দেখার আগে কী করে সেবি এ কথা বলতে পারে? আমি তাদের অনুরোধ করেছি তথ্যের সত্যাসত্য যাচাই করতে সাহারা সেবিকে সাহায্য করতে প্রস্তুত৷ জানিনা, সেবি কী করবে৷ বিনিয়োগকারীদের তথ্য অনুসন্ধান করে দেখার চেয়ে সেবি সংবাদ মাধ্যমেই বেশি সময় কাটাচ্ছে৷' বাকি তিনজন ডিরেক্টর সাহারা ইন্ডিয়া রিয়েল এস্টেট কর্পোরেশন ও সাহারা হাউজিং কর্পোরেশন নিয়ে সেবির প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন বলেও সুব্রত রায় জানান৷ 'এক ঘণ্টার কথাবার্তা চলাকালীন আমাদের এক কাপ চাও দেয়নি সেবি৷ আমরা কিন্তু ওদের ৫,০০০ কোটি টাকা দিয়ে রেখেছি,' সুব্রত বক্রোক্তি করেন৷

No comments:

Post a Comment